স্মার্টফোন ভালো রাখার কিছু কৌশল। (টিপস এন্ড ট্রিকস)

স্মার্টফোন ভালো রাখার কিছু কৌশল নিয়ে আজকে আমার পোষ্ট। স্মার্টফোন আমাদের জীবনের সাথে জরিয়ে গিছে। এখন স্মার্টফোন ছাড়া বর্তমান যুগে চলা খুবই মুশকিল। এখন ছবি তোলা থেকে শুরু করে অফিসিয়াল কাজেও স্মার্টফোন ব্যবহার হয়ে থাকে। অনেক স্মার্টফোন ইউজার রয়েছে, যাদের মুখে একটাই কথা ফোন বেশিদিন ব্যবহার করা যায় না। আসলে ফোন ব্যবহারেরও কিছু নিয়োম বা কৌশল রয়েছে যা জানাটা সকল ব্যবহারকারীর প্রয়োজন। আমি আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব সেই সকল নিয়োম যা জানলে আমার স্মার্টফোন ভালো থাকবে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

ফোনে এক্সটার্নাল মেমোরী ব্যবহারঃ ফোনের নিজেস্ব মেমোরী থাকে তবে সেই সকল মেমোরী ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন অ্যাপস ইনষ্টলের জন্য। তবে বিশেষ কাজে হয়তো ইন্টারনাল মেমোরী ব্যবহার করা যেতে পারে কিন্তু সব সময়ের জন্য ইন্টারনাল মেমোরী ব্যবহার করা যাবে না। ইন্টারনাল মেমোরী ব্যবহারের ফলে মেমোরী ফুল হয়ে যায় এবং ফোন স্লো কাজ করা থেকে শুরু করে হ্যাং হতে থাকে। এর জন্য এক্সটার্নাল মেমোরী ব্যবহার করা উচিত।

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস ইনষ্টলঃ ফোনে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস ইনষ্টল না করাটাই ভালো। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস ইনষ্টল ব্যবহারের ফলে ফোন স্লো হয়ে যায়। আপনার ফোনের জন্য যা যা দরকার তাই ইনষ্টল করুন। বেশি কিছু ইনষ্টল না করাটাই সব থেকে ভালো। ফোনে যত বেশি অ্যাপস ইনষ্টল করা থাকবে ততই ফোনের ব্যাটারীর চার্জ কম থাকবে।

অন্য সোর্স থেকে অ্যাপস ইনষ্টলঃ অনেকেই রয়েছে, যারা গুগল প্লে-ষ্টোর ছাড়াও বিভিন্ন সোর্স থেকে অ্যাপস ইনষ্টল করে থাকেন। বিভিন্ন সোর্স থেকে অ্যাপস কখনই ইনষ্টল করবেন না। কারণ এমনও অ্যাপস আছে যে সকল অ্যাপস থেকে আপনার ফোনে ভাইরাস আক্রমণ থেকে শুরু করে আপনার ফোনকে হ্যাকও করতে পারে। তাই সব সময় গুগলে প্লে-ষ্টোর থেকে অ্যাপস ইনষ্টল করুন।

অটো লাইক অ্যাপস: অনেক ব্লগে দেখি ফেসবুকে অটো লাইক নেওয়ার জন্য অনুরোধ করে। প্লে-ষ্টোরে অনেক ধরনের অটোলাইক অ্যাপস পাওয়া যায় এই সকল অ্যাপসগুলো হরহামেশে ইনষ্টল করে ফেসবুকের ছবি এবং ষ্ট্যাটার্সে অটোলাইক নিয়ে থাকে। এই সকল অটো লাইক অ্যাপস খুবই বিপদজনক। এমনও অটোলাইক অ্যাপস রয়েছে যারা আপনার ফোনের নজর দিয়ে থাকে। আর অটো লাইক অ্যাপস এর ফলে আপনার ফোন ১০০% স্লো হবেই। তাই অটো লাইক অ্যাপস ফোনে ইনষ্টল করা থেকে বন্ধ থাকুন।

এন্টিভাইরাস ব্যবহারঃ ফোনে সব সময় এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিত। যেহেতু স্মার্টফোন তাই ইন্টারনেট ব্যবহার করাটাই স্বাভাবিক। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফোনে যদি একবার ভাইরাস লেগে যায় তাহলে ফোনের ১২টা বেজে গেল। শুধু ইন্টারনেটই নয়, শেয়ারের মাধ্যমে অন্যের ফোন থেকেই ডেটা ট্রান্সফারের প্রয়োজন হয় সেই ক্ষেত্রে ভাইরাসে আক্রমণ হতে পারে। ফোনে যদি এন্টিভাইরাস ইনষ্টল করা থাকে তাহলে ভাইরাস থেকে মুক্তি পাবেন। এবং আপনার ফোন স্লো তো হবেই না ফোন অনেক ভালো থাকবে।

ডেটা কানেকশন সহ ফোন চার্জঃ বেশিরভাগ লোকই ফোনের ডেটা কানেকশন চালু রেখে ফোন চার্জ করে। তারা হয়তো জানেই না কি ভূল করছে। ফোনে ডেটা কানেকশন দিয়ে চার্জ করলে ফোনের রেডিয়েশন বাড়তে থাকে এবং ফোনের ব্যাটারী দূর্বল হয়ে যায়। তাই সব থেকে ভালো ফোন বন্ধ করে চার্জ করা।

ঘন ঘন চার্জ করাঃ কখনই ফোনে ঘন ঘন চার্জ করবেন না। নিদিষ্ট সময় ছাড়া ফোনে চার্জ করা ভালো না। ফোনে ১০০% চার্জ না করে ৯০+% চার্জ করাটাই খুবই ভালো। আর ১০% চার্জ নিচে আনবেন না। এই দুইটাই অনেক ক্ষতিকর। দিনে দুইবার চার্জ করলেই যথেষ্ট। ঘন ঘন চার্জ করলে ফোনের ব্যাটারী দুর্বল হয়ে যায় আর একটা সময় ফোনে আর চার্জ থাকবে না।

প্রিয় টেক বাংলা ব্লগ এর টিউনার এবং ভিজিটরগণ আমার এই পোষ্টটি আপনাদের যদি কোন উপকারে আসে তাহলে নিয়োমিত আমাদের সাথে থাকুন। আর প্রমোট করুন Tech Bangla Blog সাইটকে। আর আপনিও লিখতে পারেন এই তথ্যপ্রযুক্তির সাইটে। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন এই কামনায় আমি আমার পোষ্ট শেষ করছি। প্রযুক্তি ভালো কাজে ব্যবহার করুন।

পোষ্টটি ভালো লাগলে ঘুরে আসতে পারেন ব্লগ একাত্তর সাইটে

Add comment