টাইম ট্রাভেলে যিনি ভবিষ্যতে চলে গিয়েছিলেন।

ঘটনাটি ছিল ১৯৩৫ সালে। এয়ার মার্শাল স্যার ভিক্টর গডডার্ড ব্রিটিশ রয়েল এয়ার ফোর্সে চরে হকার হার্ট বাইপ্লেন নিয়ে আকাশে উড়াল দিলেন। কিছুক্ষণের ভিতরে তার সাথে বেশ কিছু অদ্ভুদ ঘটনা ঘটে গেল। তখন ভিক্টর গডডার্ড ছিলেন একজন উইং কমান্ডার। স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গ থেকে তিনি ইংল্যান্ড এন্ডোভারে নিজের এয়ার বেজে ফিরে আসছিলেন। এডিনবার্গ থেকে তিনি কিছুটা দূরে ড্রেম নামে পরিত্যাক্ত একটি এয়ার ফিল্ডের উপার দিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিলেন। এই জায়গাটিতে একসময় বিমান উঠানাম করত। কিন্তু এখন সেখানে তখন চড়ে বেড়াতো গরু। ভিক্টর হঠাৎ করে তার বিমান নিয়ে এক অদ্ভুদ ঝড়ের সম্মূখ্খিন হলেন।

তার বিমানটি বাদামি ও হলুদ রঙ্গের মেঘের মাঝে হারিয়ে যেতে লাগলো। হঠাৎ করে তার বিমানটি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে গেল। তার বিমানটি বাঁক খেতে খেতে তীব্র গতিতে মাটির দিকে এগিয়ে গেল। ভিক্টর তখন কোনমতে বিমানটিকে নিয়ন্ত্রণ করলেন। তখন অবশ্য ঝড় থেমে গিছে। এয়ার ফিল্ডটি তখন আর পরিত্যক্ত নেই। যখন তিনি নামছিলেন তখন দেখতে পান এয়ার ফিল্ডটি পরিত্যক্ত।

বিমানটি যেখানে রাখা হয়েছিল তখন সেই স্থানে আরও ৪টি বিমান রাখা ছিল। রাখা বিমানগুলো ছিল বাইপ্লেন যা ভিক্টরে খুব পরিচিত ছিল। কিন্তু সব থেকে অবাক করার বিষয় হচ্ছে, এদের গাছে ছিল পুরনো আমলের ভিন্ন ধরনের রঙ। আর যে ৪র্থ বিমান ছিল সেটি ছিল একটি মনোপ্লেন। এটি ব্রিটিশ রয়েল এয়ার ফোর্সের কোন মনোপ্লেন ছিল না। ভিক্টর আরও অবাক হলেন এই ভেবে যে, বিমানগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যে সব কর্মিরা কাজ করছিলেন তারা কেউ তার ল্যান্ড করা বিমানটিকে দেখলো না। তারা যার যার মত করে কাজ করে যাচ্ছিল। যাইহোক তখন ভিক্টর তার বিমানটিকে নিয়ে ড্রেম এয়ার ফিল্ড ত্যাগ কররেন। উড়াল দেওয়ার পর পরই আবারও ঝড় শুরু হলো। ভিক্টর তখন এন্ডোভারে ফিরে এসেছেন। এরপর ১৯৩৯ সালে রয়েল এয়ার ফোর্সের সকল বিমানগুলো হলুদ রঙ করে দিনে এবং কর্মীদের পোশাকের রঙও নীল করে দেন। ১৯৩৫ সাল থেকে ১৯৩৯ সাল পযন্ত ভিক্টর ৪ বছর গিয়ে গিয়েছিন।

প্রিয় টেক বাংলা ব্লগ এর বন্ধুগণ আরও সব নতুন এবং বিজ্ঞান ও প্রযু্ক্তি পোষ্ট করতে আমাদের সাথে থাকুন। আর আপনিও শেয়ার করুন আপনার সকল অভিজ্ঞতাকে।

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন এই কামনায় আমি আমার পোষ্টটি শেষ করছি।

ঘুরে আসুন ব্লগ একাত্তর সাইট থেকে।

Add comment